জেলায় জেলায় বিএনপি’র পদযাত্রা, বাধা, সংঘর্ষ


দৈনিক আলোড়ন
জেলায় জেলায় বিএনপি’র পদযাত্রা, বাধা, সংঘর্ষ

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ ১০ দফা দাবিতে জেলা পর্যায়ে বিএনপি’র পদযাত্রা কর্মসূচিতে বাধা, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন বিএনপি’র কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী। গতকাল ৬৬টি সাংগঠনিক জেলায় পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। এতে কয়েকটি জেলায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অংঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী কর্তৃক বাধা, ধাওয়া, হামলা ও মঞ্চ দখলের অভিযোগ করেছে বিএনপি। কোথাও আবার হামলা চালিয়ে পদযাত্রা কর্মসূচি পণ্ড করে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশ পদযাত্রায় বাধা দিয়ে লাঠিচার্জ ও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে বিএনপি দাবি করছে- অন্তত ২০ টি’র বেশি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২ শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল বাগেরহাটে বিএনপি’র পদযাত্রা কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে পুলিশ ৪০ নেতাকর্মীকে আটক করে।

পটুয়াখালীতে বিএনপি’র পদযাত্রা কর্মসূচিতে ধাওয়া দিয়ে নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। নাটোরে বিএনপি’র পদযাত্রা শুরুর আগে মোটরসাইকেলের বহর থেকে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। নেত্রকোনায় কর্মসূচিতে অংশ নিতে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে আওয়ামী লীগ। এ সময় ব্যানার-ফেস্টুন কেড়ে নিয়ে অগ্নিসংযোগ ও মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ। ঝালকাঠিতে নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করে পুলিশ। নীলফামারীতে বিএনপি’র পদযাত্রা কর্মসূচির মঞ্চ দখল করে নেয় ছাত্রলীগ। কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র পদযাত্রায় পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলিও ছোড়া হয়।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, বিএনপি ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ-পুলিশের সংঘর্ষে ১৪ জন আহত হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের আমতলা সড়কের দলীয় কার্যালয়ে অবস্থানকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনার পরপরেই পুলিশের উপরে হামলার অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব এডভোকেট আনিসুর রহমান খানসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ১৬ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। বিএনপি’র নেতারা দাবি করেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছিল। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একদল স্বন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে বিএনপি অফিসে হামলা চালায়। এতে জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এডভোকটে শাহাদাৎ হোসেন, জেলা বিএনপি নেতা জামাল হোসেন, নলছিটি উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আনিচুর রহমান হেলালসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৮ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

নাটোর প্রতিনিধি জানান, জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কার্যালয়কে লক্ষ্য করে ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। তবে বিএনপি’র কর্মসূচি ঘিরে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে দলের নেতারা অভিযোগ করেছেন। গতকাল সকাল সাড়ে ৭টায় শহরের আলাইপুরস্থ জেলা বিএনপি’র অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু অভিযোগ করেন, দেশব্যপী বিএনপি’র পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনে বাধা দেয়ার জন্যই আওয়ামী লীগ এই হামলা চালিয়েছে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, বাগেরহাটে বিএনপি’র পদযাত্রা পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে। এ সময়ে পুলিশ পদযাত্রা থেকে দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা আহ্বায়কসহ ২০ নেতাকর্মীকে আটক করেছে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে বাগেরহাট শহরে বিএনপি’র কর্মসূচি চলাকালে এসব নেতাকর্মীদের আটক করা হয়। গতকাল বিকালে আটক নেতাকর্মীদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। প্রতিবাদে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন থেকে আগামী ৪ঠা মার্চ সারা দেশের জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল ও পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা দেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. ওবায়দুল ইসলাম। আটক নেতাকর্মীদের মধ্যে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক প্রকৌশলী এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, পৌর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহেদ আলী রবি, কচুয়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাজরা আসাদুল ইসলাম পান্না, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মোল্লা বাবু, চিতলমারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নুল পারভেজ সুমন, জেলা যুবদল নেতা নাসির আহমেদ।

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ‘পদযাত্রায়’ গুলি ও লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সভাপতি, দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টায় মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার তীরচর ও দেবীদ্বার উপজেলার সীমান্তবর্তী খাদঘর এলাকা এ ঘটনা ঘটে। আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন চান্দিনা থানায় কর্মরত কনস্টেবল শিপন হোসেন ও হাসান পারভেজ।

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে জানান, পুলিশের ব্যারিকেডে আটকা পড়ে গাজীপুরে বিএনপি’র পথযাত্রা। গতকাল সকালে জেলা শহরের রাজবাড়ী সড়কের বিএনপি’র দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে পদযাত্রা বের করতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দিয়ে আটকে দেয়। এ সময় ধাক্কাধাক্কি করে মাত্র কয়েক গজ এগিয়ে যেতে পারলেও কয়েক মিনিট বাক বিত-া করেই কর্মসূচি শেষ করা হয়। এর আগে জেলা বিএনপি আয়োজিত এই কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বক্তব্য রাখেন। এতে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নেতা হুমায়ুন কবির খান, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, মেয়র মজিবুর রহমান, জেলা নেতা শাহ রিয়াজুল হান্নান, শাহজাহান কবির, মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানান, পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিতে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। এ সময় ব্যানার-ফেস্টুন কেড়ে নিয়ে অগ্নিসংযোগ ও মোটরসাইকেল মাইক্রোবাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে পদযাত্রা কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুটি ফাঁকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ। গতকাল সকালে শহরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের এই হামলায় ২৩ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এ সময় পুলিশ বিএনপি’র ৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করে।

নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মধ্যদিয়ে বিএনপি’র পদযাত্রা ও আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। স্থানীয়রা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পৌর সুপার মার্কেটের সামনে শান্তি সমাবেশ শুরু করে জেলা আওয়ামী লীগ। একই সময়ে পৌর সুপার মার্কেটে জেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ের সামনে পদযাত্রার জন্য সমবেত হয় জেলা বিএনপি’র একাংশ। দুই সভাস্থলের দূরত্ব ছিল মাত্র ৫০ গজের মতো। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাস্থল থেকে কয়েক যুবক বিএনপি’র সভাস্থলে হামলা চালিয়ে তাদের টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে চেয়ার ভাঙচুর করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, পদযাত্রা কর্মসূচিতে ধাওয়া দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে শহরের কলেজ রোডে বিএনপি’র কার্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি পদযাত্রার কর্মসূচির আয়োজন করে। এর অংশ হিসেবে গতকাল সকালে পটুয়াখালী শহরের বনানী এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথমে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে জেলা বিএনপি। সমাবেশ শেষে পদযাত্রা শুরু হয়ে পৌরসভা মোড়ে যাওয়ার পথে পুলিশ পেছন থেকে ধাওয়া দিয়ে লাঠিপেটা করে। এতে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। জেলা বিএনপি’র সদস্যসচিব স্নেহাংশু সরকার বলেন, ধাওয়ার সঙ্গে নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা শুরু করে পুলিশ। এ সময় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে ব্যানার ফেস্টুন কেড়ে নেয়া হয়।

এদিকে গতকাল রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান শাসকগোষ্ঠী গণআন্দোলনে এতটাই ভীত যে, বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচিতে হামলা, গুলি ও গ্রেপ্তার করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। বিএনপিসহ দেশের বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদেরকে যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে প্রেপ্তার করে মিথ্যা ও রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়িয়ে নির্যাতন-নিপীড়ণের পন্থা অবলম্বন করেছে। এর একমাত্র লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত রেখে আবারো প্রহসণের নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। এই উদ্দেশ্য সামনে রেখেই বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম অব্যাহত রেখেছে। তারই অংশ হিসেবে গতকাল দেশব্যাপী সকল জেলায় বিএনপি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি চলাকালে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপডি এম এ সালাম, বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আকরাম হোসেন তালিম ও সদস্য শাহেদ আলীসহ ৪৭ জন, কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতা এ কে বিশ্বাস বাবু, শহীদ সরকার মঙ্গল, আমিরুল ইসলাম মন্টুসহ ২০ জন, নেত্রকোনায় বিএনপি নেতা কাদির, আলমগীর, এখলাস মেম্বার, বকুল মিয়া, রুবেল মিয়াসহ ১০ জন, ঝালকাঠিতে জেলা যুবদল সদস্য সচিব এডভোকেট আনিসুর রহমান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তৌহিদ হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. শামীম মৃধাসহ ১৬ জন নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গুরুতর আহত করা হয়েছে ফেনী সদর উপজেলার ৭নং বালিগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক নুর নবী, কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতা বশিরুল আলম চাঁদ, ওয়াকার পারভেজ, কৌশিক আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম অনিক, নাঈম শেখ ও সাগির কুরাইশসহ ৩০ জন, ঝালকাঠিতে জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন, নলছিটি উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আনিসুর রহমান হেলাল, ঝালকাটি পৌর বিএনপি’র সভাপতি মো. নাসিমুল হাসানসহ ৫৭ জন, নেত্রকোনায় বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, কামরুল হক, আশরাফুল ইসলাম, নুরুল ইসলামসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে, যার মধ্যে ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কুমিল্লায় পুলিশের বেপরোয়া গুলিবর্ষণে গুরুতর আহত হয়েছেন ২৫ জনের অধিক নেতাকর্মী, গ্রেপ্তার করা হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন নেতাকর্মীকে। কুমিল্লা, নেত্রকোনাসহ বিভিন্ন জেলায় গুলি, ককটেল হামলাসহ চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদের হামলায় শতাধিক নেতাকর্মী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। মূলত: শান্তি সমাবেশের নামে আওয়ামী লীগ দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেপ্তার ও হামলার মধ্যদিয়ে বর্তমান কর্তৃত্ববাদী অবৈধ সরকার নিষ্ঠুরতার আরও একটি নজীর স্থাপন করলো। তবে নেতাকর্মীদেরকে গ্রেপ্তার ও তাদের ওপর হামলা-নির্যাতন চালিয়ে চলমান গণআন্দোলনকে দমন করা যাবে না। মানুষ এখন জেগে উঠেছে। অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের পতন না ঘটিয়ে জনগণ ঘরে ফিরে যাবে না।